রাজ্য সরকার ও কেন্দ্রীয় সরকারের মতন বিভিন্ন বেসরকারি সংগঠন স্কলারশিপের উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন, তাদের মধ্যে অন্যতম হলো টাটা ক্যাপিটাল পাঙ্খ স্কলারশিপ প্রোগ্রাম। এই স্কলারশিপে ২০২৫-২০২৬ শিক্ষাবর্ষে এই স্কলারশিপের নতুন আবেদন প্রক্রিয়া এবং রিনিউয়াল প্রক্রিয়ায় শুরু হয়েছে। যে সমস্ত পড়ুয়ারা এখনো আবেদন করেনি, তারা নিম্নলিখিত পদ্ধতি অনুসরণ করে আবেদন সম্পন্ন করতে পারবেন।
উদ্দেশ্য : – টাটা ক্যাপিটাল গ্রুপের স্কলারশিপের মূল লক্ষ্য হলো মাধ্যমিক, উচ্চমাধ্যমিকে, গ্রাজুয়েট স্তর, ডিপ্লোমা বা যে-কোনো প্রফেশনাল কোর্সের ছাত্র-ছাত্রীদের পড়াশোনার মান উন্নয়ন করা এবং পড়াশোনার মাধ্যমে ভবিষ্যৎ উজ্জ্বল করা। এজন্যই প্রত্যেক বছর ছাত্র-ছাত্রীদের পড়াশোনার সাপোর্ট করার জন্য বৃত্তি প্রদান করা হয়।
যে সমস্ত ছাত্র-ছাত্রী টাটা ক্যাপিটাল গ্রুপের এই প্রাইভেট স্কলারশিপে আবেদন করবেন ভাবছেন, তাদের জন্য রইল এই স্কলারশিপে আবেদনের জন্য প্রয়োজনীয় যোগ্যতা : –
১) আবেদনকারী পড়ুয়াকে এবং তার পরিবারকে ভারতের স্থায়ী নাগরিক হতে হবে।
২) পারিবারিক বার্ষিক আয় ২.৫ লক্ষ টাকার কম হতে হবে।
৩) কোনো সরকারি বা সরকারি অধিকৃত অথবা প্রাইভেট স্কুল, কলেজ বা বিশ্ববিদ্যালয় আবেদনকারী ছাত্র-ছাত্রীকে পড়াশোনা করতে হবে।
৪) পূর্ববতী পরীক্ষায় অন্তত ৬০ শতাংশ নম্বর নিয়ে পাস করতে হবে।
আরোও পড়ুন : Amazon Pay তে নতুন পরিষেবা, বিনিয়োগ পরিষেবায় নতুন পদক্ষেপ, জানুন বিস্তারিত!
স্কলারশিপের পরিমাণ : –
- মাধ্যমিক, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণীর পড়ুয়ারা পাবে 10000 টাকা।
- গ্রাজুয়েট এবং ডিপ্লোমা কোর্সে ভর্তি হলে পাবে ১২০০০ টাকা।
- প্রফেশনাল কোর্স ভর্তি হলে এক লক্ষ টাকার মতন দেওয়া হয়
- স্কলারশিপের টাকা দিয়ে পড়াশোনার খরচ ৮০ শতাংশ এবং বাদবাকি টিউশন ফি, বই কেনা ও টিফিন খরচ করতে পারবে ছাত্র ছাত্রীরা।
প্রয়োজনীয় নথি :
যে সমস্ত নথি আবেদনের জন্য প্রয়োজন হবে সেগুলো হলো : –
১) পূর্ববর্তী পরীক্ষার মার্কশিট এবং সার্টিফিকেট।
২) স্কুল, কলেজ বা প্রফেশনাল কোর্সে ভর্তির রশিদ।
৩) ভোটার কার্ড, আধার কার্ড।
৪) বয়সের প্রমাণপত্র।
৫) প্রতিবন্ধী সার্টিফিকেট, কাস্ট সার্টিফিকেট (যদি থাকে)।
৬) পারিবারিক আয়ের প্রমাণপত্র।
৭) পাসপোর্ট সাইজ ফটো।
৮) পড়ুয়ার ব্যাংক পাশবুক
আবেদন প্রক্রিয়া : – সম্পূর্ণ অনলাইন মাধ্যমে আবেদন করতে হবে, এর জন্য প্রথমে আবেদনকারীকে buddy4study এই ওয়েবসাইটে প্রবেশ করতে হবে।
এরপর বৈধ ই-মেইল আইডি দিয়ে রেজিস্ট্রেশন করতে হবে।
এরপর কোন ক্যাটাগরিতে বা কোন কোর্সের জন্য এপ্লাই করবেন সেটা সিলেক্ট করতে হবে।
তারপর Applly Now অপশনে ক্লিক করে আবেদনপত্রের সম্পূর্ণ তথ্য বিস্তারিতভাবে দিতে হবে।
এরপর উল্লেখিত ডকুমেন্ট পিডিএফ ফরম্যাটে স্ক্যান করে আপলোড করতে হবে।
তারপর সমস্ত কিছু একবার ভালো করে দেখে নিয়ে সাবমিট করতে হবে।
সাবমিট করার পর একটা অ্যাপ্লিকেশন আইডি নম্বর পাবেন, সেটা ভবিষ্যতে রেফারেন্সের জন্য রেখে দেবেন। ভবিষ্যতে এই নম্বর দিয়ে আপনার স্ট্যাটাস চেক করতে পারবেন।
আপনার আবেদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে এভাবেই।
আবেদনের শেষ সময়সীমা : – আবেদন প্রক্রিয়া বর্তমানে চলছে এবং এটি শেষ সময়সীমা রয়েছে ১১ জানুয়ারি।
যে সমস্ত পড়ুয়া মাধ্যমিক, একাদশ, দ্বাদশ শ্রেণী, কলেজ বা যে কোনো প্রফেশনাল করছেন, এবং যোগ্যতা গুলো আপনার হয়েছে তাহলে অবশ্যই টাটা ক্যাপিটাল স্কলারশিপে আবেদন করে পড়াশোনার সুযোগের সুবিধা উপভোগ করুন। টাটা ক্যাপিটাল স্কলারশিপ এমন একটি প্রাইভেট স্কলারশিপ যেটি ছাত্রছাত্রীদের ভবিষ্যৎ উন্নয়নের জন্য চেষ্টা করে আসছে, তাই আপনিও যদি এই স্কলারশিপের জন্য উপযুক্ত হয়ে থাকেন, তাহলে আবেদনের মাধ্যমে আপনার পড়াশোনার ভবিষ্যৎ আরও উজ্জ্বল করুন এবং ভালো ক্যারিয়ার গড়ে তুলুন।